HeadLogo

মেয়ের শশুর বাড়িতে ঘুরতে এসে শশুরের দায়ের আঘাতে রক্তাক্ত মেয়ের মা - Sabuj Tripura News

সবুজ ত্রিপুরা
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
বুধবার   

ধর্মনগর প্রতিনিধিঃ ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। বহুদিন পর মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে  ঘুরতে এসে মেয়ের শশুর অর্থাৎ বেয়াইয়ের দায়ের আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে মেয়ের মা অর্থাৎ বেয়াইন আশংকা জনক অবস্থায় মৃত্যুর মুখোমুখি।  বর্তমানে আহত মেয়ের মা বাসন্তী নাথের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় উত্তর জেলার কাঞ্চনপুরের বড় হলদি এলাকার ভবরঞ্জন নাথের মেয়ে গৌড়ী নাথের ধর্মনগর উত্তর গঙ্গানগর এলাকার বিরেন্দ্র নাথের জ্যেষ্ঠপুত্র বিশ্বজিৎ নাথ দীর্ঘ দিনের প্রেমের পরে ২০১২ সালে হিন্দু রীতি নীতি মেনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিশ্বজিৎ নাথ ব্যবসায়ীক সূত্রে মহারাষ্ট্রের পুনে শহরে থাকেন। বিবাহের পর বিশ্বজিৎ এর সাথে গৌড়ী নাথও  পুনে চলেযান।


পুনে গিয়ে তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। বিশ্বজিত ও গৌরি কন্যাকে নিয়ে পুনেতেই থাকতেন। কিন্তু  বর্তমানে  গোটা দেশে লকডাউনের  কারণে বিগত কয়েক মাস আগে গৌড়ী নাথ পুনে থেকে চার বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে ধর্মনগর উত্তর গঙ্গানগরের শশুর বাড়ি চলে আসেন।গৌড়ী ধর্মনগর এসেছে শুনে গৌড়ির মা  কিছুদিন পূর্বে গৌড়ীর সাথে দেখা করতে উত্তর গঙ্গানগর বিশ্বজিৎ নাথের বাড়ি অর্থাৎ মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে আসেন। বেশ কিছু দিন যাবত গৌড়ীর শশুর বাড়িতেই থাকছিলেন গৌড়ীর মা।  


আচমকাই মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্বজিৎ নাথের পিতা বীরেন্দ্র নাথ মদমত্ত অবস্থায় এসে গৌড়ীর মায়ের ওপর  অর্থাৎ ছেলের শাশুড়ির উপর চড়াও হয়। জানাযায় সামান্য বাকবিতণ্ডার কারণেই ধারালো দা 

দিয়ে পুত্রবধূর মা অর্থাৎ বেয়াইনের উপর আঘাত করেন বিশ্বজিতের পিতা বীরেন্দ্র নাথ। সঙ্গে সঙ্গে গৌড়ী মায়ের রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখে চিৎকার শুরু করলে তার চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসে। এলাকাবাসী দের দেখে তাদের দিকেও দা নিয়ে ধাওয়া করে মদমত্ত বীরেন্দ্র নাথ। 


সেখান থেকে কোন প্রকারে এলাকাবাসী রক্তাক্ত বাসন্তী নাথকে ধর্মনগর  হাসপাতালে নিয়ে আসে।এদিকে বিষয়টি বাগবাসা আউট পোস্টে জানালে কিছুসময়ের মধ্যেই বাগবাসা থানার পুলিশ বীরেন্দ্র নাথকে  গ্রেফতার করে ধর্মনগর থানায় নিয়ে আসেন। বর্তমানে গৌড়ী নাথের মা বাসন্তী নাথের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ধর্মনগর হাসপাতালে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।




কোন মন্তব্য নেই