HeadLogo

বনধে কংগ্রেসের পিকেটিং গ্রেফতার , ধর্মনগরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া - Sabuj Tripura News

সবুজ ত্রিপুরা
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
মঙ্গলবার   

ধর্মনগর প্রতিনিধিঃ করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের বেহাল স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা ও রাজ্যের চারিদিকে কংগ্রেস কর্মীদের উপর আক্রমণের প্রতিবাদ সহ বেশ কিছু দাবির ভিত্তিতে ত্রিপুরা রাজ্যে গতকাল প্রদেশ কংগ্রেসের ডাকে ১২ ঘন্টার ত্রিপুরা বনধ ছিল। এই বনধকে সফল 

করে তুলতে বেশ কিছুদিন যাবত কংগ্রেস গোটা রাজ্যেই তাদের প্রচার কর্মসূচী চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও রাজ্যের শাসক দল এই বনধকে কর্মনাশা বনধ বলে দাবি করেছেন।কিন্তু সোমবার সকালে ধর্মনগর মহকুমার বিভিন্ন স্থানে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা বনধের আহ্বানে মিছিল স্কোয়াটিং নিয়ে বের হয়। 


প্রথমত সোমবার সকালে যুবরাজ নগর ব্লক কংগ্রেসের উদ্যোগে হাফলং বাজারে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা বনধের সমর্থনে পিকেটিং করতে বেরুলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে ধর্মনগর বীর বিক্রম ইন্সটিটিউশনের অস্থায়ী জেলে নিয়ে আসেন। গ্রেফতার কালে কংগ্রেস নেতৃত্ব দিগ্বিজয় চক্রবর্তী জানান তারা জনগনের স্বার্থে কিছু দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ বনধ ডেকে ছিল কিন্তু হাফলং বাজারে বিজেপি দুষ্কৃতীরা তাদের আক্রমন করার চেষ্টা করে। 


কিন্তু তারপরও তারা বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে হাফলং এলাকায় মিছিল করেছে।পরবর্তীতে বেলা ১১ টা নাগাদ ধর্মনগর ব্লক কংগ্রেসের উদ্যোগে ধর্মনগর কংগ্রেস ভবন থেকে 

কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা বনধের সমর্থনে একটি মিছিল নিয়ে বের হতে গেলে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। তখন ধর্মনগর ব্লক কংগ্রেস সভাপতি পরিমল চক্রবর্তী ক্ষোব ব্যাক্ত করতে গিয়ে জানান বর্তমান শাসক দল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলনকে পুলিশের সাহায্যে বাধা দান করেন। সাধারন মানুষের স্বার্থ সম্বলিত কিছু দাবিতে আজকের এই বনধের প্রচারের জন্য পুলিশ তাদের কোন অনুমতি দেন নি। 


তার পরেও সামাজিক মাধ্যমে বনধের কিছু প্রচার হয়েছে। তাতেই সাধারন মানুষ এই বন্ধকে সমর্থন করবে। পুলিশ পরবর্তীতে পিকেটিং এ বের হওয়া কংগ্রেস কর্মী দের গ্রেফতার করে ধর্মনগর বীর বিক্রম ইন্সটিটিউশনের অস্থায়ী জেলে নিয়ে যান। সোমবার কংগ্রেসের ডাকা ১২ ঘন্টার বনধে ধর্মনগরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই দোকান পাঠ খোলেন নি।তবে কংগ্রেস কর্মী সমর্থক দের সংখ্যা খুবই কমছিল।


 


কোন মন্তব্য নেই