দ্বারোদ্ঘাটন হলো কৃষক বন্ধু কেন্দ্র ও হাজার মেট্রিক টন কৃষি বীজাগার - Sabuj Tripura News

সবুজ ত্রিপুরা 
১২ জানুয়ারি ২০২১  
মঙ্গলবার
ধর্মনগর প্রতিনিধিঃ ধর্মনগর মহকুমার অন্তর্গত চন্দ্রপুরে নবনির্মিত কৃষক বন্ধু কেন্দ্র ও কৃষি আঞ্চলিক কার্যালয়ের শুভ দ্বারোদঘাটন করলেন রাজ্যের কৃষি,পর্যটন ও রিবহন দপ্তরের মাননীয় মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায়। এছাড়াও গত শুক্রবার রাজ্যের মাননীয় কৃষিমন্ত্রী প্রনজিত সিংহ রায়ের হাত ধরে উত্তরের কালাছড়া ব্লকের অধীনস্থ ইছাই লালছড়ায় নবনির্মিত ১০০০ মেট্রিক টন কৃষি  বীজাগারের শুভ দ্বারোদঘাটন হয়। এই মহতী অনুষ্ঠানে রাজ্যের মাননীয় কৃষি মন্ত্রী প্রনজীৎ সিংহ রায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিধানসভার উপাধ্যক্ষ তথা ধর্মনগরের বিধায়ক বিশ্ববন্ধু সেন,উত্তর ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সভাধিপতি ভবতোষ দাস,রাজ্য কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা দেবপ্রসাদ সরকার,উত্তর ত্রিপুরা জেলা পরিষদের সদস্য তথা কৃষি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাজল দাস সহ দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকেরা শুক্রবার সকালে  কৃষি দপ্তর আয়োজিত ধর্মনগর চন্দ্রপুরে নবনির্মিত কৃষক বন্ধু কেন্দ্র ও কৃষি আঞ্চলিক কার্যালয়ের দ্বারোদ্ঘাটনের পরে রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী ও রাজ্য বিধানসভার উপাধ্যক্ষ গোটা কার্যালয়টি পরিদর্শন করে সেখান থেকে সোজা চলে যান কালাছড়ায়। 

সেখানে গিয়েই  ১০০০ মেট্রিক টন কৃষি বীজাগারের দ্বারোদঘাটনের পরে মূল অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ইছাই লালছাড়া কৃষি বীজাগার প্রাঙ্গণে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের কৃষি,পর্যটন ও পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিৎ সিংহ রায় বললেন। পূর্বতন সরকারের আমলে কৃষকদের কল্যাণার্থে এমন কৃষক বন্ধু কেন্দ্রের ব্যবস্থা ছিল না। এর ফলে কৃষকদের বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুখীন হতে হতো। গ্রামের সহজ সরল কৃষকরা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে শুরু করে উন্নত  কৃষির স্বার্থে বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণের জন্য তাদের  দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে হতো।  কিন্তু বর্তমানে রাজ্যের সরকার কৃষকদের কথা চিন্তা করে কৃষক বন্ধু কেন্দ্র স্থাপন করেছে। 

এই কৃষক বন্ধু কেন্দ্রে কৃষকদের কৃষি স্বার্থের বিভিন্ন প্রকল্প থেকে শুরু করে কৃষি সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য থাকবে। যেমন কোন মরশুমে কি কি বীজ বপন করা যাবে। কোন ফসলের জন্য কি কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। পোকামাকড় থেকে ফসলকে রক্ষা করতে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এমন বিভিন্ন রকমের পরামর্শ ও তথ্য থাকবে এই কৃষক বন্ধু কেন্দ্রে। তিনি আরও বলেন আগে একটা সময় খাদ্য দপ্তর এ রাজ্যের কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করতোনা। এর ফলে ধান উৎপাদনে ব্যয় করা অর্থ বাজারে বিক্রি করার মাধ্যমে সংগ্রহ করা  কৃষকদের খুব কষ্টদায়ক হয়ে উঠতো। 

কিন্তু বর্তমানে এ রাজ্য থেকে এফসিআই ধান ক্রয় করায় কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন। এ রাজ্যের সাথে সাথে গোটা দেশেই বর্তমান কেন্দ্রের বিজেপি  পরিচালিত এনডিএ  সরকার  কৃষকদের স্বার্থে কাজ করে চলেছে। অথচ বিরোধী দল গুলো নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে বদনাম করার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃষকদের বিভ্রান্ত করতে কৃষক আন্দোলন করে চলেছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য

Close Menu