Ad Code

Responsive Advertisement

মেঘালয়ের অবৈধ কয়লা ত্রিপুরা রাজ্যে অবাধে পাচার, পরিবহন দপ্তর নীরব - Sabuj Tripura News

সবুজ ত্রিপুরা 
০৬ জানুয়ারি ২০২০  
বুধবার

চুরাইবাড়ি প্রতিনিধিঃ মেঘালয়ের অবৈধ কয়লা ত্রিপুরা রাজ্যে অবাধে পাচার হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ নামায় অবৈধ ঘোষিত থাকলেও রাজ্যের বিভিন্ন স্বার্থে কয়লা অবাধে প্রবেশ করছে। কিন্তু তার থেকে বড় কথা যেখানে আন্ডার লোড হয়ে কয়লা ত্রিপুরাতে প্রবেশ হওয়ার কথা সেখানে অধিকাংশ গাড়ি ওভারলোডে প্রবেশ করছে।অঘোষিত ভাবে রাজ্যে প্রবেশ করার নির্দেশ থাকলেও ওভারলোডে পুরোপুরি বাঁধা রয়েছে। কিন্তু একাংশ পরিবহন কর্মীরা তা মানছেন না।রাতের আঁধারেই হোক আর প্রকাশ্য দিবালোকে হোক সক্রিয় চক্রের হাত ধরে ওভারলোড বোঝাই কয়লা চুরাইবাড়ির চেকপোস্ট হয়ে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে প্রবেশ করে। 

তাতে জেলার পরিবহন দপ্তরের উপর প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে। এই কাজে হাত পাকিয়ে চুড়াইবাড়ির পরিবহন দপ্তরের কর্মীরা ফুলে কলাগাছ। অপরদিকে রয়েছে বহিঃরাজ্য থেকে আসা বিভিন্ন ফলের গাড়ি গুলোও। সেগুলি ওভার উচ্চতা সমেত গাড়ি হওয়ায় পরিবহন দপ্তরে ফাইন দিতে হয়। কিন্তু অধিকাংশ গাড়িই বিনা ফাইনে পরিবহন দপ্তরের কর্মীদের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে পার পেয়ে যায়। অবৈধভাবে প্রবেশ করা গাড়ি গুলি চুড়াইবাড়ি হয়ে ধর্মনগর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে চলে যায়। সেখানেও রয়েছে সক্রিয় একটি চক্র। 


তাদের হাত ধরেই পরিবহন দপ্তরের কর্মীদের ম্যানেজ করে বিনা বাঁধায় অতিক্রম করে চুরাইবাড়ি গেইট।আর তাতে রাজ্য সরকার মোটা অর্থের রাজস্ব মার খাচ্ছে।তবে চুরাইড়াড়ি পরিবহন দপ্তরের একাংশ কর্মী থেকে শুরু করে টিআরটিসির কর্মীরা জড়িত রয়েছেন সরাসরি। তারা রাতদিন গেইটে ডিউটি করলেও অর্থের বিনিময়ে গাড়িগুলো ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। 


আর সেই কাজে লিপ্ত পাঁচেক গেইটম্যানও।তারা সক্রিয় চক্রের সঙ্গে হরিহর আত্মা।এই ভাবে উভয়ের যোগসাজশে চলছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।তবে এব্যাপারে লড়ি চালক বা স্থানীয় জনগণ মুখ খুলতে চাননি।এখন দেখার বিষয় রাজ্যের প্রবেশদ্বার চুরাইবাড়ির পরিবহন ও টিআরটিসির কর্মীদের দিকে রাজ্য সরকার কতটুকু নজর দেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য

Close Menu