HeadLogo

ভুয়ো রসিদ দিয়ে ফিন্যান্স কম্পানির কিস্তির টাকা সংগ্রহ করতে এসে আটক এক প্রতারক - Sabuj Tripura News


সবুজ ত্রিপুরা
০৯ নভেম্বর ২০২০  
সোমবার          

ধর্মনগর প্রতিনিধিঃ এল এন্ড টি নামক এক বেসরকারি ফিন্যান্স কোম্পানির চাকরিচ্যুত এক কর্মী দ্বারা ভুয়ো রশিদ দিয়ে টাকা সংগ্রহের অভিযোগ। যদিও গ্রাহকদের তৎপরতায় প্রতারককে আটক করে ধর্মনগর থানায় তুলে দেওয়া হয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায় এলএন্ডটি ফিন্যান্স কোম্পানি নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আমবাসার বাসিন্দা মানষ রায় নামক এক কর্মী কাজ করতেন। সে ধর্মনগর অফিসের থাকায় গোটা মহকুমার বিভিন্ন জায়গা থেকে কোম্পানী কর্তৃক ধার দেওয়া অর্থের মাসিক কিস্তি সংগ্রহ করতেন। কিন্তু বিগত জুলাই মাসে লকডাউন চলাকালীন সময়ে কর্মী মানষ রায়কে কোম্পানি চাকুরি থেকে বরখাস্ত করে দেন। 


কিন্তু চাকুরি থেকে বরখাস্তের পরেও দীর্ঘ প্রায় চার মাস যাবত গ্রাহকদের কাছ থেকে ভুয়ো রসিদ দিয়ে মাসিক খিস্তি সংগ্রহ করে আসছিলো প্রতারক মানষ রায়। বিগত দিনে প্রতারক মানষ রায় এল এন্ড টি ফিন্যান্স কোম্পানির ধর্মনগর অফিস কর্মরত থাকলেও জুলাই এর পর থেকে দীর্ঘ প্রায় চার মাস যাবত সে এই ফাইন্যান্স কোম্পানিতে কর্মরত নয়। কিন্তু তারপরেও দিনের পর দিন সে ফিন্যান্স কোম্পানির ভুয়ো রশিদ দিয়ে টাকা সংগ্রহ করে আসছিল গ্রাহকদের কাছ থেকে। অথচ গ্রাহকদের টাকা তাদের ধারের খাতায় জমা না পরায় ফিন্যান্স কোম্পানির অফিস থেকে সরাসরি গ্রাহকদের ফোন করা হয়। 


এতেই বেরিয়ে আসে মূল রহস্য। কেননা অফিসের ফোনে গ্রাহকরা জানান যে তারা বিগত মাস গুলো তে সেই প্রতারক মানষ রায়কে টাকা দিয়ে আসছে। তখন অপর দিক থেকে তারা জানতে পারে যে মানষ রায়কে বিগত জুলাই মাসেই এলএন্ডটি ফিন্যান্স কম্পানি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। এতে গ্রাহকরা দ্বন্দ্বে পরে যায়। এরি মধ্যে প্রতারক মানুষ রায় পুনরায় রবিবার ধর্মনগর পদ্মপুর স্থিত রাধারমণ মন্দির এলাকার এক গ্রাহকের কাছ থেকে এ মাসের কিস্তি সংগ্রহ করতে এলে ঐ গ্রাহকের বাড়ির লোকজন সহ বাকি গ্রাহকেরা তাকে আটক করে ধর্মনগর থানায় খবর দেয়। সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং তাকে ধর্মনগর থানায় নিয়ে আসে। 


তাকে আটক করে খবর দেওয়া হয় এলএন্ডটি ফিন্যান্স কোম্পানির ম্যানেজার রঞ্জিত রুদ্র পালকে। তিনিও ধর্মনগর অফিসের কর্মকর্তা দের সঙ্গে করে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ঘটনার বিস্তারিত জানান। ম্যানেজারের কথা থেকে গ্রাহকদের মনে আরো সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। কেননা বিগত চার মাস মানষ রায় চাকুরিতে না থেকেও টাকা সংগ্রহ করে চলছে কিন্তু কোম্পানির কাছে কোন খবর নেই এই বিষয়টি অবশ্যই সন্দেহজনক। তবে কি মানষ রায়ের প্রতারণার সাথে কোম্পানির অনান্যরাও রয়েছে? এখন এমন বিভিন্ন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

কোন মন্তব্য নেই