HeadLogo

কদমতলা পুলিশের তীর বিরোধী অভিযানে আটক ৩ কুখ্যাত তীরের এজেন্ট - Sabuj Tripura News

সবুজ ত্রিপুরা
২২ আগষ্ট ২০২০
শনিবার 
 

চুরাইবাড়ি প্রতিনিধিঃ উত্তর জেলার কদমতলা থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রেমতলা কদমতলা বাজারে তীর বিরোধী অভিযান চালায় কদমতলা থানার পুলিশ। এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন কদমতলা থানার এস আই প্রাজিত মালাকার, অপু দাস সহ বিশাল পুলিশবাহিনী। আজ দুপুর দুটো নাগাদ প্রেমতলা বাজারের অধীর মালাকার (৪২) পিতা ধীরেন্দ্র মালাকারকে তীরের টিকেটসহ লেনদেন সমেত আটক করে কদমতলা থানার পুলিশ। ধৃত অধীর মালাকারের বাড়ি কদমতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের নং ওয়ার্ডে। 


পাশাপাশি অধীর মালাকারের মিষ্টির দোকান থেকে আটক করা হয় অপর তীরের এজেন্ট প্রেমতলার বাসিন্দা হেলাল হোসেন (৪৫) পিতা আরিফ আলিকে। এদিকে কদমতলা বাজারের তীর মাফিয়া কুসুম চন্দ (৫২) পিতা পুতুল চন্দকে তীরের টিকেট সহ আটক করে কদমতলা থানার পুলিশ। ধৃত কুসুম চন্দের বাড়ি দক্ষিণ কদমতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের নং ওয়ার্ডে। পুলিশ ধৃত তীরের এজেন্টকে আটক করে কদমতলা থানায় নিয়ে আসে। 


সাথে উদ্ধার করা হয় তীর খেলার বিভিন্ন সামগ্রী সহ তীরের টিকেট। উদ্ধার করা হয় দুটি মোবাইল ফোন সহ হাজার ৮০ টাকা। বর্তমানে কুখ্যাত তীরের এজেন্টরা কদমতলা থানার হেফাজতে রয়েছে। অপরদিকে কদমতলা থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকার জানান,দীর্ঘদিন থেকে কদমতলা থানা এলাকার কদমতলা প্রেমতলা বাজারে ধৃত তীরের এজেন্ট সাধারণ জনগণকে সর্বশান্ত করে দিচ্ছিল। অবশেষে আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তীর বিরোধী অভিযানে নেমে তাদের জালে তুলতে সক্ষম হয় পুলিশ। 


ওসি আরো জানান, প্রেমতলা বাজারে অধীর মালাকার তার মিষ্টির দোকানের আড়ালে তীরের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। আর তার সাথে সহযোগী অপর এজেন্ট ছিলো হেলাল হোসেন। পাশাপাশি কদমতলা বাজারে কুসুম তার সেলুনের আড়ালে তীরের সাম্রাজ্য তৈরি করেছিল। বর্তমানে কদমতলা থানার পুলিশ ধৃত তীরের এজেন্টকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কাছ থেকে গ্রামাঞ্চলের কোন তীরের এজেন্টদের হদিস পায় কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে ধৃত জন তীর কারবারির মধ্যে কুসুম চন্দ উত্তর জেলার মধ্যে তার শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে নিয়েছে। আজকের সর্বনাশা তীর বিরোধী অভিযানে জনমনে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে এসেছে


 

 
 

কোন মন্তব্য নেই