HeadLogo

পুলিশের টহলদারি না থাকায় একই রাতে তিন গৃহস্থের ঘরে চুরের হানা - Sabuj Tripura News

সবুজ ত্রিপুরা
১১ জুলাই ২০২০
শনিবার   

চুরাইবাড়ি প্রতিনিধিঃ ঘটনার বিবরণে জানা যায় উত্তর জেলার কদমতলা থানাধীন ভারত বাংলা সীমান্তে অবস্থিত বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ নং ওয়ার্ডের বিকাশ দাস ও পাশের বাড়ির অমিতা দাসের ঘরে রাতের আধারে চোরের দল হানা দেয় এবং দরজার  ছিটকিনি ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। ফলে বিকাশ দাসের ঘর থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা,দামী অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। তারপর বিকাশ দাসের পাশের বাড়ি অমিতা দাসের শোবার ঘরে চোরের দল ঢুকে একটি মোবাইল ফোন, রুপার কিছু অলংকার এবং নগদ সামান্য কিছু অর্থ সহ জ্বর পরিমাপের থার্মোমিটার নিয়ে যায়।  

একই রাতে পাশের গ্রামের পশ্চিমী ইছাই লালছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মানিক দাসের ঘর  থেকও নগদ ৭ হাজার টাকা সহ এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও সোনার নাকের একটি অলংকার নিয়ে যায়। যদিও এর পূর্বে ঐ সকল এলাকায় কোনদিন চুরি কার্য সংঘটিত হয়নি। সুতরাং প্রথমবারের মতো বকবকি ও টুলগাও এলাকায় চুরি কার্য সংগঠিত হওয়াতে জনমনে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্থানীয় কদমতলা থানায় একই রাতে পরপর তিন বাড়িতে এরকম দুঃসাহসিক চুরি কান্ড সংগঠিত হওয়ার অভিযোগ জানালেও পুলিশ প্রশাসন যে ঠুঁটো জগন্নাথ এর ভূমিকা পালন করছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

তাছাড়া যে সকল বাড়িতে চুরি কান্ড সংঘটিত হয়েছে তাদের বক্তব্য, উনাদের পূর্বপুরুষের আমল থেকে ঐ সকল এলাকায় কোনদিন চুরির ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু গতকাল রাত্রিবেলা পরপর তিন বাড়িতে চোরের দলের দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হওয়ার পর উনাদের মনে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তাই স্থানীয় জনগণ বকবকি,টুলগাও,পশ্চিমী ইছাই লালছড়া এলাকায় কদমতলা থানার রাতের টহলদারির দাবি তুলছেন। তাদের অভিযোগ, আজ পর্যন্ত ঐ সকল এলাকায় রাতের বেলা কদমতলা থানার টহলদারির গাড়ি বা বিট পেট্রলিং এর বাইকের টহলদারি দেখা যায়নি।আরও বলেন যদি রাতের বেলায় ঐসকল এলাকায় কদমতলা থানার টহলদারি থাকতো তাহলে হয়তো একই রাতে তিন তিনটি বাড়িতে চোরের দলের দুঃসাহসিক চুরি কান্ড সংঘটিত হতো না।

অপরদিকে আরও জানা যায় যে, একি রাতে যে তিনটি বাড়িতে চোরের দল চুরি কান্ড সংঘটিত করেছে ঐসকল বাড়ির লোক কিছুটা আন্দাজ করতে পেরেছেন যে, ২ টি মাঝবয়সী লোক কালো রঙের ড্রেস ও পাগড়ি লাগিয়ে লালছড়া বকবকি সড়কের উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। তাই স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান ওই দুই ব্যক্তিই একই রাতে পরপর তিনটি বাড়িতে চুরি কান্ড সংঘটিত করেছে। এখন দেখার বিষয় কদমতলা থানার পুলিশ ওই চুরি কান্ডের সাথে জড়িত কুখ্যাত চোরদের পাকড়াও করতে কতটুক তৎপর হয় এবং ঐ সকল এলাকায় রাতের টহলদারি চালু করে কি না।

 

কোন মন্তব্য নেই