HeadLogo

জলাবাসা-কাঞ্চনপুর-পূর্ব ধর্মটিলা সড়ক নির্মাণে গাফিলতি ও নিম্নমানের কাজ



সবুজ ত্রিপুরানিজস্ব প্রতিনিধি২৭ মার্চ : আবারো রাস্তা নির্মানে গাফিলতির ছবি পরিলক্ষিত হয় পূর্তদপ্তরের বিরুদ্ধে।

সড়ক নির্মাণে চরম গাফিলতি ও জোড়াতালির কাজ। ছবি : রমাকান্ত দেবনাথ

           ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, জলাবাসা কাঞ্চনপুর সড়ক থেকে পূর্ব ধর্মটিলা গ্রামের একমাত্র রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে ছিল। এলাকাবাসীদের অভিযোগ বিগত বাম আমলে রাস্তাটি নিয়ে বহুবার সংস্কারের দাবি জানানোর পর দামছড়ার পিডব্লুডি দপ্তর কাজে হাত লাগায় ইন্দ্রজিৎ দাস নামক এক ঠিকেদারকে দিয়ে।

সংবাদমাধ্যম কর্মীর প্রশ্নের জবাবে টালবাহানা ঠিকাদারের। ছবি : রমাকান্ত দেবনাথ

        যথারীতি কাজ শুরু হলেও মেটেলিং সম্পন্ন হবার আগেই কোনও অজানা কারনে কাজটি বন্ধ হয়ে পড়ে। দীর্ঘ প্রায় দুই বছর পর এলাকাবাসীদের চাপে পড়ে পুনরায় কাজটি শুরু হতে দেখা যায় যে, রাস্তাটি সম্পন্ন হবার আগেই কর্মরত রোলারের চাকায় কার্পেটিং উঠে আসছে। কারণ, মেটেলিং-এর উপরের মাটি এবং ধূলা পরিস্কার না করেই বিটুমিন লাগিয়ে কার্পেটিং  করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কর্মরত ঠিকেদারকে আপত্তি জানালে তিনি কর্ণপাত না করে নিজের আধিপত্য খাটিয়ে মর্জিমাফিক কাজ করে যান। নিরুপায় এলাকাবাসি বিষয়টি স্হানীয় সংবাদমাধ্যমের নজরে নিয়ে আসে।

          সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা ঘটনাস্হলে পৌঁছে ঠিকেদারের সাথে কথা বলে ঘটনার সত্যতার খোঁজ নিলে নিতে জানা যায় মোট ছয়শো মিটার রাস্তাটির নির্মাণের বরাত পায় মোট বারো লক্ষ টাকা টেন্ডার ভ্যালুর উপর ঠিকেদার এও অভিযোগ করেন যে, ওনার নাকি কাজটি করতে গিয়ে সাত লক্ষ টাকা লোকসান হয়েছে। এমন আরও নানা টালবাহানা তিনি দেখান। এদিকে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা দামছড়াস্হিত পূর্তদপ্তরের এসডিও-এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই ধরনের অভিযোগ তার কাছে আসে নি, তবে এর সঠিক তদন্তক্রমে বিষয়টি তিনি  দেখবেন বলে  আশ্বাস দেন।


কোন মন্তব্য নেই