HeadLogo

নতুন সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে কৃষক ও ব্যবসায়ীর কল্যাণ সম্পর্কযুক্ত চার বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ


সবুজ ত্রিপুরা, সংবাদমাধ্যম, ১ জুন : শুক্রবার রাষ্ট্রপতি ভবনে দ্বিতীয়বার দেশের প্রধানমন্ত্রীরূপে শপথ গ্রহণের পর শ্রী নরেন্দ্র মোদি জানান যে, নতুন সরকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে কৃষক ব্যবসায়ীর কল্যাণ সম্পর্কিত চারটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা তাদেরকে বিজেপি দল নিজেদের নির্বাচন ঘোষণায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন, “এই কার্যকালের প্রথম মন্ত্রীসভায় যে সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মেহনতি কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীবর্গের উপকার হবে।” তিনি বলেন যে, এই সিদ্ধান্তগুলি অনেক ভারতীয়দের মর্যাদা ও ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করবে।
শ্রী মোদী লিখেছেন, জনসাধারণ সর্বপ্রথম, জনসাধারণ সর্বদা নতুন সরকার শুক্রবার দেশের ১৪.৫ কোটি কৃষকদের জন্য ‘প্রধানমন্ত্রীর কৃষক পরিকল্পনা’ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিকে, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ ব্লকের কার্য্যালয়ে কাজ শুরুর প্রথম দিন জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী ও সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
       নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রীসভার বৈঠকে নেওয়া বড় সিদ্ধান্তগুলো হল :-
১)    স্বল্প সীমিত চাষীদের জন্য শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী কৃষক সংরক্ষণ তহবিল যোজনার অধীনে এখন থেকে দেশের ১৪.৫ কোটি কৃষককে বছরে ৬০০০ টাকা দেওয়া হবে। এর যোজনার পরিমাণ হল ৮৭ হাজার কোটি টাকা ক্ষুদ্র চাষীদের জন্য থাকবে পেনশনের ব্যবস্থা ‘কৃষক পেনশন পরিকল্পনা’-এর অধীনে ১৮ থেকে ৪০ বছর কৃষকেরা এতে অংশ নিতে পারে এবং এর লাভ ৬০ বছর বয়সের পরে থেকে তাঁরা পাবেন
২)    এই পরিকল্পনায় অংশগ্রহনকারী কৃষকদের মাসিক কিস্তিতে ৫৫ টাকা করে দিতে হবে এবং একই পরিমাণ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেওয়া হবে ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি খাজনা আসবে এই পরিকল্পনা ছোট ব্যবসায়ীদের, যারা জিএসটি-এর আওতায় আসেন না, তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে
৩)   কৃষকদের আয়ের একটি বড় অংশ পশুদের রোগসংক্রান্ত ব্যাপারে ব্যয় করা হবে সরকার এ সবকিছুর মোকাবেলা করার জন্য দেশব্যাপী রোগ প্রতিরোধনের ব্যবস্থা শুরু করেছে এই পরিকল্পনায় ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে সরকারী খাজনা থেকে
৪)    শহীদদের এবং প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তাদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি এবং বৃত্তি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে এই সুবিধা সন্ত্রাসী বা নকশাল সহিংসতায় শহীদ হয়ে যাওয়া সেনাবাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু এখন রাজ্য পুলিশের শহীদদের পরিবারের জন্যও এই সাহায্য উপলব্ধ হবে। এই প্রকল্পের অধীনে ছেলেরা ২৫০০ এবং মেয়েরা ৩০০০ টাকা করে প্রতি মাসে পাবে। পূর্বে এই অর্থের পরিমাণ যথাক্রমে ২০০০ এবং ২২৫০ টাকা করে ছিল।


কোন মন্তব্য নেই