HeadLogo

এক জন মৃত এবং দুই জন গুরুতর আহত, হত্যার অভিযোগ হাতির মাহুতের উপর - Sabuj Tripura News

সবুজ ত্রিপুরা
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
সোমবার  

পানিসাগর প্রতিনিধিঃ কোভিড ১৯ পরিস্থিতিতে গতকাল কাক ভোরে দামছড়া থানাধীন পিপলা ছড়া এডিসি অধ্যুষিত রঞ্জনি পাড়া এক নং ওয়ার্ডে ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় এক জন মৃত এবং দুই জনকে গুরুতর আশঙ্কা জনক অবস্থায় উদ্ধার করে এলাকাবাসী। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ গত কাল রাএিতে কোন এক সময়ে ঐ এলাকার বাসিন্দা কৃতনজয় রিয়াং (৪৫) ওর স্ত্রী ম্রংতি রিয়াং(৩৮) এবং একমাত্র কন্যা লক্ষিতা রিয়াং(১৭) কে কোন এক দুর্বৃত্ত প্রানে মারার চেষ্টা করে। এতে ঘটনাস্থলে বাড়ির কর্তা কৃতনজয় রিয়াং মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। গুরতর আশঙ্কা জনক অবস্থায় ম্রংতি রিয়াং কোন ক্রমে আসপাশের প্রতিবেশীদের স্বরনাপন্ন হয়। 


তখন ওর আদরের একমাত্র কন্যাটি মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে জঙ্গলে। মৃত বাবার মৃতদেহের পাশে পড়ে থাকলেও এই করুন দৃশ্য পরিলক্ষিত করতে এলাকার লোকজনদের কিছুটা সময় লেগে যায়। ঘটনা জানা জানি হতেই খবর পাঠানো হয় দামছড়া থানায়। দামছড়া থানার পুলিশ  ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আশঙ্কা জনক অবস্থায় ম্রংতি রিয়াং ও তার মেয়েকে উদ্বার করে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে প্রেরন করে এবং সাথে সাথে মৃত কৃতনজয়ের দেহ পানিসাগর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেয়। 


প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে কিছু তথ্য প্রমানের উপর ভিত্তি করে অনুমান করা হয় যে ঐ এলাকায় কর্মরত এক জন হাতির মাহুত ঘটনার জন্য দায়ী। নাম জানা না গেলেও ঐই মাহুতের বাড়ি ঊনকোটি জেলার কৈলাশহরে বলে জানা গেছে।ঘটনার পরই দুটি হাতি নিয়ে ঘা ঢাকা দিতে গিয়ে মাঝ পথে পুলিশি হানার ভয় পেয়ে হাতি দুটিকে রাস্তায় ছেড়ে পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থলে পৌছোন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক অভিজিৎ দাস মহাশয়। পাহাড় অধ্যুষিত গোটা এলাকাটিকে পুলিশ ঘিরে ফেলে জোর তল্লাসী অভিযান চালানো হয়। আশা করা হচ্ছে পলাতক অভিযুক্তকে পাকরাও করা সম্ভব হবে। 


তাছাড়া দামছড়া এলাকার কিছুসংখ্যক এলাকাবাসী অপর একটি হাতি সহ মাহুত জলাবাসা  অভিমুখে আসতে দেখে তাকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করে। কিন্তু উক্ত হাতির মাহুত তাদের কথায় কান না দিয়ে জলাবাসা অভিমুখে পালিয়ে আসতে দেখলে এলাকাবাসীরা গাড়ি বাইক স্কুটি নিয়ে হাতিটির পিছু ধাওয়া করে জলাবাসা বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এসে হাতি সংগ্রহ করে এলাকাবাসীর অভিযোগ উক্ত দুষ্কৃতিকারী সাথে এর সন্দেহভাজন যোগসুত্র থাকতে পারে বলে অনুমান। তাই পানিসাগর থানা কর্মীদের কাছে মাহুতকে তদন্ত সাপেক্ষে তুলে দেওয়া হয়। মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর এলাকাবাসীদের হাতে সোপর্দ করা হবে।



কোন মন্তব্য নেই