HeadLogo

মার্ক টু চুরি করতে গিয়ে চোর ধরা পড়ল জনতার হাতে - Sabuj Tripura News


সবুজ ত্রিপুরা
১২জুন, ২০২০
শুক্রবার

চুড়াইবাড়ি প্রতিনিধি: পানীয় জলের জন্য ব্যবহৃত মার্ক  টু কল চুরি করতে গিয়ে গাড়িসহ বামাল চোর জনতার হাতে ধরা পড়েছে। এই চুরি কাণ্ডে কদমতলা ব্লকের কালাগাঙ্গের পার গাও  সভায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি  হয়েছে।  উপপ্রধান  এর  ভূমিকা  নিয়ে গ্রামজুড়ে  নানান  

গুঞ্জন চলছে। গ্রামজুড়ে কানাঘুষা চলছে। ঘটনার সূত্রপাত বুধবার রাতে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উত্তর জেলার কদমতলা ব্লকাধীন  কালাগাঙ্গের পার  গাও সভার ৫ নং ওয়ার্ডের বিস্তর মুখ এলাকায় পানীয় জলের জন্য একটি মার্কটু  রয়েছে। প্রায় কুড়ি বছর পূর্বে এই  কলটি নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে বিকল অবস্থায় আছে মার্ক টু টি। বিকল হয়ে পড়ে থাকা এই  কলটির দিকে  চুরের দলের চোখ পড়ে। 
বুধবার রাত আনুমানিক ৮ টা নাগাদ চার পাঁচজনের একটি  দল গাড়ি নিয়ে ঐ কলটি মাটি থেকে তুলে নিয়ে পালানোর পথে স্থানীয় প্রায় তিনশো থেকে সাড়ে তিনশো জনগন গাড়িটিকে আটক করে । চোরের দল পালিয়ে গেলেও চালক পালাতে  পারেনি। আটক করা হয় চালক মন্নান মিয়া(৩৭) পিতা সুনা মিয়াকে। বাড়ি ধর্মনগর  সাকাইবাড়ি গ্রামে। এই ব্যাপারে গ্রামের প্রধান ইসলাম উদ্দিন কদমতলা থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন। কদমতলা থানা ৩৭৯, ৪১১ ধারায় মামলা নথিভুক্ত করে, মামলার নাম্বার ২৯/২০ মোতাবেক তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। তবে এই চুরির ব্যাপারে উপপ্রধান  সেলিম উদ্দিন এর ভূমিকা অত্যন্ত সন্দেহ জনক। কেননা স্থানীয় জনগণের বক্তব্য অনুসারে চুড়ি কান্ড সংঘটিত হবার মাত্র এক দিন পূর্বে উপপ্রধান সেলিম উদ্দিন এলাকার গ্রামবাসীদের কাছে বলে যে মার্কটু কলটি বিকল হয়েছে। সেটি তুলে নেওয়া হবে এবং সেখানে একটি নতুন মার্ক টু বসান হবে। এরপর বুধবার রাতে এই চুরি কাণ্ড ঘটে। 

কালাগাঙ্গের পার গাওসভার প্রধান ইসলাম উদ্দিনের বক্তব্য বিকল  মার্কটু কলটি তুলে নেওয়ার  জন্য পঞ্চায়েতে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। চোরের দল মার্ক টু টি চুরি করে নিয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয় গ্রামবাসীরা গাড়িটি আটক করার পর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনাটি দেখে কদমতলা থানাকে অবগত করেন ও কদমতলা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তবে এই চুরি কান্ডে উপপ্রধান জড়িত আছে কিনা তা পুলিশ তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে জানান প্রধান । অপর দিকে গ্রামবাসীরা উপপ্রধানের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করছেন ও উপ-প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন। পাশাপাশি বিস্তর মুখ এলাকায় একটি পানীয় জলের মার্ক টু বসানোরও দাবি জানান। এ ব্যাপারে উপ-প্রধানের প্রতিক্রিয়া নিতে গেলে উনি সাফ জানিয়ে দেন উনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেবেন না। সব মিলে  উপপ্রধান এর  ভূমিকা অত্যন্ত সন্দেহজনক।এখন দেখার বিষয় পুলিশি তদন্তে কি বেরিয়ে আসে। 
ছবিঃ কিশোর রঞ্জন হোড় 

কোন মন্তব্য নেই