HeadLogo

হাসপাতাল পরিদর্শনে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও উচ্চ আধিকারিকবৃন্দ, খতিয়ে দেখলেন ব্যবস্থাপনা



সবুজ ত্রিপুরা, চুরাইবাড়ি প্রতিনিধি, ৩০ মার্চ:- করোনা ভাইরাসের জেরে সারা রাজ্যের সাথে উত্তর জেলায় পালিত লকডাউনকালে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বের হলেন উত্তর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডঃ জগদীশ চন্দ্র নম:। জেলার অন্তর্গত কদমতলা গ্রামীণ হাসপাতাল পরিদর্শনে করেন তিনি। উনার সাথে ছিলেন রাজ্য বিধানসভার উপাধ্যক্ষ শ্রী বিশ্ববন্ধু সেন, উত্তর জেলার জেলাশাসক শ্রী রাবার হেমেন্দ্র কুমার সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা।


          মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা এক সাক্ষাৎকারে জানান যে, মূলত জেলা হাসপাতাল সহ অন্যান্য হাসপাতালগুলি ইতিমধ্যে COVID-19 করোনা ভাইরাস মোকাবিলার জন্য সম্পূর্ণরূপে তৈরি করে রাখা হয়েছে। অযথা ভয়ের কোন কারণ নেই; যারা বাইরে থেকে রাজ্যে এসেছেন তাদেরকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত উত্তর জেলায় ৬৯৮ জন গৃহবন্দি আছেন। তাদেরকে সম্পূর্ণরূপে গৃহবন্দী থাকতে হবে যাতে করে জনবহুল স্থান ও মানুষের সাথে মেলামেশা করতে না পারেন তার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন থেকে সম্পূর্ণরূপে তৎপরতার সহিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, প্রশাসনের তরফ থেকে প্রতিটি দোকান ফার্মেসীর সামনে জনগণকে সচেতন করতে ডিস্টেন্স মার্ক এঁকে দেওয়া হয়েছে।

কদমতলা গ্রামীণ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও উচ্চ আধিকারিকরা। ছবি : কিশোররঞ্জন হোর।

          উল্লেখ্য, কদমতলা ব্লক এলাকা যেহেতু সীমান্তঘেঁষা, তাই একটু বাড়তি সর্তকতা অবলম্বন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে পার্শ্ববর্তী রাজ্য আসামের সাথে যোগাযোগ গ্রহণকারী বিকল্প সীমান্ত সড়ক ও ফাঁড়ি পথগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে; কেবল পণ্যবাহী লরি ও জরুরীকালীন গাড়ি চলাচলের জন্য ৮ নং আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কটি উন্মুক্ত রয়েছে। সকাল ৫টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা চুুড়়াইবাড়ি কমপ্লেক্সের ভেতর বহিঃরাজ্য থেকে আসা লরির চালক ও সহচালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাজ্যে প্রবেশ করাচ্ছেন, যাতে করে অবাধে অনুপ্রবেশ ঘটতে না পারে। পাশাপাশি ত্রিপুরা ঘেঁষা ইন্দো-বাংলা সীমান্ত রাজ্য সরকারের আদেশ অনুসারে ইতিমধ্যে সিল করা হয়ে গেছে।





কোন মন্তব্য নেই